স্বাধীনমত

  • নারী হলো সেই মায়াবী পৃথিবী যাকে জুড়ে ভালোবাসার সৃষ্টি

    রিতা ফারিয়া রিচি:  কোনোকালে নারী পুরুষ থেকে স্বাধীন হয়নি না প্রাগৈতিহাসিক কালে না অধুনাকালে। চিরকাল নারী আলোআঁধারির মধ্যে বড়ো হয়েছে-বেড়ে উঠেছে। পরিবারে, সমাজে এমনকি রাষ্ট্রেও নারী পুরুষরে অধীনস্থ থেকেছে। এই থাকা ইচ্ছায়, অনিচ্ছায়, আদরে, অনাদরে চিরটাকাল চশমখোর সময়েল কাছে পরে পরে মার খেতে হয়েছে। খুব কম নারীই তার প্রাপ্য সম্মান, মর্যাদা পেয়েছে। সে হোক কর্মজীবি … বিস্তারিত »

  • মাকে নিয়ে লেখা ফয়সাল হাবিব সানি’র খোলা চিঠি

    অামার সালাম নেবে। অামি জানি, তুমি ভালো নেই। মিছে ভালো থাকার অভিনয় করো মাত্র। অামার কথা খুব মনে পড়ে তোমার। মা জানো, অামিও ভালো নেই। এখন যেনো অার ভালো থাকার সময় নেই। তোমার কথা অার তোমাদের কথা খুব খুব বেশি মনে পড়ে অামার।   তোমার কথা, বাবার কথা, অামার পিচ্চি ভাইটার কথা। মা জানো, অামি … বিস্তারিত »

  • কওমী শিক্ষার স্বীকৃতি ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

    আবুল কালাম আজাদ প্রাবন্ধিক ও গবেষক সম্প্রতি কওমী মাদ্রাসাকে সরকারের অনুমোদন ও স্বীকৃতি প্রদান নিছক রাজনৈতিক একটি অপরিপক্ষ পদক্ষেপ ছাড়া আমি আর কিছুই মনে করি না। প্রতিষ্ঠিত একটি জাতিকে নতুন করে আরো একটি হুমকির মুখে ঠেলে দিল সরকারের এই সিদ্ধান্ত। এটির ফলে যেটি ঘটল সেটি সরকার তো নিয়ন্ত্রন করতে পারবেই না বরং বাঙালির ঘটি কম্বল … বিস্তারিত »

  • বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুত মেরিন ড্রাইভ রোড এখন বাস্তব

    শামসুল আলম সরকার যায় সরকার আসে। প্রকল্পের পর প্রকল্প আসে। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পরে কেউ আর আগের সরকারের অবদানের কথা ভুলেও মুখে আনতে চায় না। বরং কতভাবে মানুষকে ভুলিয়ে রাখা যায়, সেই চেষ্টা থাকে প্রবল। সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ প্রকল্পও তেমনি! দেশের পর্যটন শিল্পকে সারা বিশ্বে পরিচিত ও আকর্ষনীয় করতে ১৯৯৩ সালে … বিস্তারিত »

  • শিক্ষক অভিভাবকের কোচিং নির্ভরতা রোধ করতে হবে

    সিরাজুল ইসলামঃ বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রাইভেট কোচিং ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোচিং ব্যবসার সাথে প্রাইমারী থেকে শুরু করে কলেজ পর্যায়ের কিছু কিছু শিক্ষক জড়িয়ে যাচ্ছেন। অভিভাবকবৃন্দও কেন যেন শ্রেণি পাঠদানের প্রতি তাদের সন্তানদের ভালো রেজাল্ট করানোর ব্যাপারে আস্থা পাচ্ছেন না। তারা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে অতিমাত্রায় আশংকায় প্রাইভেট, কোচিং সেন্টারের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছেন। কিন্ত কেন? তাহলে … বিস্তারিত »

  • ফয়সাল হাবিব সানি’র তিনটি উক্তি

    ১. তুমি মানুষরূপে জন্মগ্রহণ করেছো এটা তোমার স্বার্থকতা নয়; বরং তুমি মানুষ হতে পেরেছো এটাই তোমার স্বার্থকতা। কারণ প্রত্যেক মানুষ মানুষ হতে পারে না। ২. তুমি মানুষের কাছে নত হও, তবে মনের কাছে বড়ো হও। ৩. বঙ্গবন্ধু কেবল কোনো ব্যক্তিবিশেষ নয়; বঙ্গবন্ধু একটি রাষ্ট্র, একটি অধিকার, একটি গণতন্ত্র।

  • লোকাল বাস বনাম মেয়েদের ‘স্যান্ডউইচ লাইফ’

    ‘ভাই, এটা কী সিদ্ধান্ত হল, কেন হল, কিছুই তো বুঝলাম না। চাকরি-বাকরি দূরে থাক, চলাফেরা করাই তো এখন দায়। বাসগুলো এমনিতে মহিলাদের নিতে চায় না। নিলেও ওঠা যায় না। ধাক্কাধাক্কি ও ঠেলাঠেলির ৩য় বিশ্বযুদ্ধে জয়ী হয়ে উঠতে হয়। উঠে আবার সিট নেই। সাধারণ সিট তো কেউ ছাড়েই না। মহিলা সিটেও অনেক সময় পুরুষ বসে থাকে। … বিস্তারিত »

  • কালকিনিতে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ও এমপি নাছিমের জয় পরাজয়

    মোঃ ইকবাল হোসেনঃ মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার এনায়েত নগর ও পূর্ব এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনের আয়নায় যারা জাতীয় নির্বাচনের ছবি দেখতে চান তারা উক্ত নির্বাচন নিয়ে হাজারও হিসেব নিকেশে ব্যস্ত। কিন্তু হিসেবে শুধু নিজের কোর্টে বল হিসেব করে ধরলে সেই হিসেবে নিজের জয় হয়েছে মনে করে আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠলে সেটি তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু সামগ্রিক … বিস্তারিত »

  • বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক মুসলিম সম্প্রদায় নিজভূমে পরবাসী!

    সদস্যরা। সংখ্যাগরিষ্ঠ বংশের সদস্যদের হাতেই ক্ষমতা। এখানে জ্ঞানী, গুণী. ভদ্র. শিক্ষিত ব্যক্তি কিংবা ন্যায়-অন্যায় বলে কিছু নেই, বিষয়টি কোন্ বংশের সেটাই বিবেচ্য হয়। গোষ্ঠীগত এই সাম্প্রদায়িকতার মধ্যে ধর্মীয় কোনো সম্পর্ক নেই। এভাবে ইংরেজ ঔপনিবেশিক সরকার ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িকতা প্রতিষ্ঠা করে ভারতবর্ষের জাতীয় ঐক্য, মানুষের মনুষত্য ও মানবতা ধ্বংস করে দিয়েছে। মানবতাবিরোধী এবং মানবিকতা বিধ্বংসী এই সাম্প্রদায়িকতার কারণে বিশ্বব্যাপী মানুষ ‘মানব জাতি’তে বিশ্বাসী হতে পারেনি।
    ভারতবর্ষের গৌরবগাঁথা ইতিহাস হিন্দু সম্প্রদায়ের মানসকে যেভাবে আকৃষ্ট করেছিল ঠিক তার উল্টো হয়েছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের। মুসলিম সম্প্রদায় আরব-পারস্যের ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে নিজেদের ঐতিহ্য ভেবে ভারতবর্ষের ঐতিহ্য থেকে নিজেদেরকে সরিয়ে নিয়েছিল। ধর্মপ্রীতির কারণে মুঘোল সা¤্রাজ্যকে তারা নিজেদের সা¤্রাজ্য বলে মনে করেছিল। মুঘোল সা¤্রাজ্য এবং নবাব রাজত্বের অবসানে উচ্চ-শ্রেণির মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষয়িঞ্চুতা ও হতাশা দেখা দিয়েছিল। এই হতাশা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তারা ওয়াহাবি শিক্ষা-সংস্কৃতিতে সম্পৃক্ত হয়েছিল। ওয়াহাবি আন্দোলন মুসলিম সম্প্রদায়ের আধুনিক শিক্ষা-দীক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং উন্নতিকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেছিল। হিন্দু মধ্যবিত্ত সমাজ যে সময় দীক্ষিত হয়েছিল এগিয়ে চলার মন্ত্রে, ওয়াহাবি আন্দোলন ঠিক সেই সময় মুসলমান সমাজকে শিখিয়েছিল পিছিয়ে থাকার মন্ত্র। ওই মন্ত্র হতে মুসলমানরা এখনো রেহাই পায়নি। এখনো তারা ওই অপশিক্ষা গ্রহণ করছে। হিন্দুরা যখন এক করে দেখল স্বদেশ ও স্বধর্মকে, মুসলিম সম্প্রদায় তখন ধর্ম-প্রীতির প্রাবল্যে পরিত্যাগ করতে প্রস্তুত হয় নিজ জন্মভূমি ভারতবর্ষকে।
    উনিশ শতকে উদঘাটিত হয় ভারতবর্ষের অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্য। ইউরোপীয় পন্ডিতরা এই ইতিহাস উদঘাটন করেন। বুদ্ধ, মহাবীর, অশোক, সমুদ্রগুপ্ত, বেদ-বেদান্ত, ষড়দর্শন, গঙ্গা, যমুনা, ভাগীরথী এসব গৌরব ও ঐতিহ্য ভারতবাসীর হৃদয়ে জাগ্রত করে এক অভূতপূর্ব জাতীয় চেতনা। ভারতবর্ষের ওই ঐতিহ্য পেয়ে হিন্দু সম্প্রদায় লাভ করে সাম্প্রদায়িকতার সমাজতাত্ত্বিক ভিত্তি। সাম্প্রদায়িকতার কারণে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের ইতিহাস ও চেতনাগত চরিত্র বদল হয়ে যায়। হিন্দু সম্প্রদায় ভারতীয় ঐতিহ্যকে গ্রহণ করে তাদের জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতির ভিত্তিভূমি হিসেবে। পক্ষান্তরে মুসলিম সম্প্রদায় ওই চেতনাকে ইসলামবিরোধী এবং মুসলমানদের স্বার্থের পরিপন্থী মনে করে তা প্রত্যাখ্যান করে। ধর্ম-প্রীতির আতিশয্যে ভারতবর্ষকে তারা স্বদেশ বলে ভাবেনি। ভারতবর্ষের বাসিন্দা হয়েও ভারতের বৃহত্তর ঐতিহ্যকে অস্বীকার করে তারা নিজেদের ঐতিহ্যের সন্ধান করেছে আরব, পারস্য ও তুরস্কে। সাম্প্রদায়িক ধর্ম-সম্প্রদায়ের প্রভাবে ভারতের হিন্দু-মুসলমান একই ঐতিহ্য ও গৌরবময় ইতিহাস গ্রহণ করতে পারেনি। ভারতবর্ষের শ্যামল সমতল বনভূমি, গিরিদরী উপত্যকা পরিত্যাগ করে মুসলিম সম্প্রদায় আরবের দুস্তর মরুভূমিকে নিজেদের ঐতিহ্য বলে আত্মপ্রসাদ লাভ করে। মিশর, ইরান, তুর্কির নদনদী পাহাড় খন্দকই যেন ছিল তাদের আসল ঐতিহ্য। এর প্রচারক ছিল ওয়াহাবি আলেম সম্প্রদায়। তারা মধ্যপ্রাচ্যের কাব্য সাহিত্যকে ভারতবর্ষের সাহিত্য থেকে অধিকতর প্রাধান্য দিয়ে ভারতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি থেকে মুসলমানদের বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ভারতবর্ষের ঐতিহ্যকে হিন্দুদের ঐতিহ্য বলে আখ্যায়িত করে। এ ধরনের বিকৃত মনোবৃত্তির ফলে ভারতীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বকুল, জবা ও শিউলী ফুল এবং গঙ্গা, যমুনা, ভাগীরথী হয়েছিল বিজাতীয়। অজন্তা, ইলোরা, কোনারক হয়েছিল ইসলামী সংস্কৃতির পক্ষে বিপজ্জনক। অশোক, সমুদ্রগুপ্ত, হর্ষবর্ধন ছিলেন হিন্দু সংস্কৃতির প্রচারক। স¤্রাট আকবরকে ভেবেছে তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের অভিভাবক। গজনীর সুলতান মাহমুদ, বাদশাহ আলমগীর ও আওরঙ্গজেবকে মনে করেছে ভারতবর্ষের মুসলিম ঐতিহ্যের পরিচায়ক হিসেবে। ভারতীয় মুসলমানদের সাংস্কৃতিক এই বিকৃতির কারণে তারা নিজ জন্মভূমি ভারতবর্ষে ছিল পরবাসীর মতো। এখনো সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের ওয়াহাবি মুসলিম সম্প্রদায় জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হওয়াসত্ত্বেও তারা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা ও অসম্মান করছে। তারা মুঘোল আমলের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের মতোই নিজ মাতৃভ’মিতে পরবাসীর মতো জীবন-যাপন করতে চায়, নিজ জন্মভূমির ঐতিহ্য বাংলা নববর্ষবরণ মঙ্গল শোভাযাত্রা উৎসবকে ধর্মবিরোধী আখ্যা দিয়ে তা অসুরের মতো প্রতিহত করতে চায়। তাদের এই অন্ধত্বের অবসান হওয়া দরকার। মহান আল্লাহতা’লা তাদের এই অন্ধত্ব দূর করে সুমতি দান করুন। আমরা ১৭ কোটি জনগণ যাতে একত্তরের ন্যায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ‘অর্থনৈতিক মুক্তি’ অর্জন করতে পারি, বাংলা নতুন বছরে এটাই বাংলাদেশ মানবতাবাদী দল (বিএইচপি)’র প্রত্যাশা। বাংলা নববর্ষ সফল হোক। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
    লেখক : বাংলাদেশ মানবতাবাদী দল (বিএইচপি)’র মহাসচিব

    -->

    ড. সুফি সাগর সামস্ : সাম্প্রদায়িকতা হলো, একটি মানবতাবিরোধী প্রকৃতি। সাম্প্রদায়িকতার মাধ্যমেই মানুষের অধিকার, ঐক্যবদ্ধ শান্তি-শৃঙ্খলার সমাজ ও রাষ্ট্র বিনষ্ট হয়। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর, নারী ধর্ষণ, নারী ও শিশু হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। মানুষের সুকুমার চিন্তা-চেতনা ও উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হয়। সাম্প্রদায়িকতার সাথে ধর্মীর সম্পর্ক আছে। তবে সাম্প্রদায়িকতা ও ধার্মিকতা এক জিনিস … বিস্তারিত »