স্বাধীনমত

  • রাজ্জাক স্যারের বারোতম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি

    লিটন আব্বাসঃ  রাজ্জাক স্যার। এখন আর একক একটি নাম নয়। সবকিছু উৎরে গেছেন তিনি। কুমারখালীতে ৭০ দশকের পরে কুমারখালী কলেজে শিক্ষাবিস্তারে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। মরহুম আব্দুর রাজ্জাক ২০০৫ সালে ৩১ মার্চ পরিবার, স্বজন, সন্তান, সহকর্মী, আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব ছেড়ে পরপারের বাসিন্দা হয়েছেন।   তিনি একজন আদর্শ কলেজ শিক্ষক ছিলেন। কুমারখালী কলেজের জন্মলগ্ন অর্থাৎ ৭০ সাল থেকে … বিস্তারিত »

  • কোরান পড়ে আমার উপলব্ধি- দেবশ্রী চক্রবর্তী

    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম বর্তমান বিশ্বের সব থেকে বড় সমস্যা সন্ত্রাসবাদ । ইসলামকে হাতিহার হিসাবে ব্যাবহার করে, ধর্মের নামে কিছু স্বার্থপর মানুষ নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নির্বিচারে নিরীহ মানুষদের প্রতি অত্যাচার চালাচ্ছে । কিন্তু এই এক দল নর পিশাচ যারা ইসলামকে হাতিয়ার করে পৈশাচিক কাজ চালাচ্ছে, তাঁদের এই কৃত কর্মের ভাগ সমগ্র ইসলাম সমাজ কি নিতে … বিস্তারিত »

  • রাজনীতিতে নেতার কাছ থেকে কর্মীকে আলাদা করার কৌশল(১)

    মোঃ ইকবাল হোসেন রাজনীতিতে যুগের পর যুগ কর্মী ধরে রাখা নেতাদের জন্য একটি বড় কঠিন ও চ্যালেঞ্জের বিষয়। দেখা যায় রাজনীতিতে যে গুরুর জন্য তার শীষ্য জীবন বাজি পর্যন্ত রাখে আবার রাজনীতির জন্য সেই শিষ্যই আবার গুরুর প্রাণের দুশমন পর্যন্ত হয়। মূল কারণ গুরুর চেয়ে নিজেকে বেশি যোগ্য মনে করে গুরুর রাজনৈতিক মসনদ দখল করার … বিস্তারিত »

  • আমার জন্মদিনই কী আর মৃত্যুদিনই কী

    রেছিলেন। জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে ’৭৩-এর ৬ সেপ্টেম্বর চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বঙ্গবন্ধু আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে পৌঁছান। ৯ সেপ্টেম্বর বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত শোষক আর শোষিত; আমি শোষিতের পক্ষে। ’ একই বছর অক্টোবরের ১৭ তারিখ সাত দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বঙ্গবন্ধু জাপান গমন করেন। সেখানেও এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। জাপানের প্রধানমন্ত্রী কাকুই তানাকা বঙ্গবন্ধুকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করেন। বঙ্গবন্ধুকে যখন বিমানবন্দর থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয় তখন রাস্তার দুই পাশে লোকজন দাঁড়িয়েছিল তাকে এক নজর দেখার জন্য। অর্থাৎ বিশ্বের মানুষের চোখে বঙ্গবন্ধু এক মহান নেতা ছিলেন। বিশ্বের প্রতিটি মানুষ বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধার চোখে দেখত। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের ১৩৬-তম সদস্য রাষ্ট্ররূপে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর, সোমবার বাংলাদেশ বিমানের লন্ডন ফ্লাইটে আমরা ঢাকা ত্যাগ করি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সদ্য সদস্য পদপ্রাপ্ত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা। নিউইয়র্ক সময় বিকাল ৩টায় যখন বক্তৃতা প্রদানের জন্য বঙ্গবন্ধুর নাম ঘোষিত হয় তখন বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মুহুর্মুহু করতালিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। মঞ্চে দাঁড়িয়ে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে চতুর্দিকে তাকিয়ে পরিষদে সমাগত বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে সম্বোধন করে আন্তর্জাতিক রাজনীতির সর্বোচ্চ সংস্থা জাতিসংঘকে ‘মানব জাতির মহান পার্লামেন্ট’ উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃতা শুরু করেন। জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুই প্রথম রাষ্ট্রনায়ক যিনি মাতৃভাষা বাংলায় বক্তৃতা করেন। বঙ্গবন্ধু বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘শান্তি ও ন্যায়ের জন্য পৃথিবীর সকল মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা বিমূর্ত হয়ে উঠবে এমন এক নয়া বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ আজ পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ। ’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অক্টোবরের ৩ তারিখে বঙ্গবন্ধু ইরাক সফরে যান। ইরাকের প্রেসিডেন্ট হাসান-আল-বাকার এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন বঙ্গবন্ধুকে সম্মানিত করেন। সারাক্ষণ সাদ্দাম হোসেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিলেন। ’৭৪-এর ২২ ফেব্রুয়ারি আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ারে বুমেদিনের বিশেষ বিমান নিয়ে পাঁচজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসেছিলেন বঙ্গবন্ধুকে ওআইসি সম্মেলনে নেওয়ার জন্য।

    ২৩ ফেব্রুয়ারি যখন আমরা ওআইসি সম্মেলনে যোগদান করি সেখানেও বঙ্গবন্ধু ছিলেন সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। বঙ্গবন্ধু খুব আত্মমর্যাদাশালী নেতা ছিলেন। জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনে কিউবার রাষ্ট্রপতি ফিদেল ক্যাস্ত্রো বঙ্গবন্ধুকে আলিঙ্গন করে বলেছিলেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি। ’ সৌদি আরবের বাদশাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বলেছিলেন, ‘আমি আপনার কাছে স্বীকৃতি চাইতে আসিনি। আমি এসেছি আপনাকে সম্মান জানাতে। স্বীকৃতি না দিয়েও আপনি আমার বাংলাদেশের মানুষকে হজব্রত পালনের সুযোগ দিয়েছেন। এ জন্য আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। ’

    আজ এই মহান নেতার জন্মদিনে শ্রদ্ধাবনত চিত্তে তাকে স্মরণ করি। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। তার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে স্বাধীন করা এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করা। তাই তো তিনি ৭ মার্চে বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। ’ তিনি স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন।   আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি দিয়ে যেতে পারেননি। সেই দায়িত্বটা নিয়েছেন তার সুযোগ্য কন্যা আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।   বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে অর্থনৈতিক মুক্তির পথে। সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে।

    লেখক : আওয়ামী লীগ নেতা, সংসদ সদস্য, বাণিজ্যমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

    tofailahmed69@gmail.com

    -->

    তোফায়েল আহমেদঃ প্রতিবছর যখন সতেরোই মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে ফিরে আসে তখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কথা বেশি করে মনে পড়ে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু জন্মেছিলেন এই বাংলার মাটিতে। এই দিনটি যদি বাঙালি জাতির জীবনে না আসত তাহলে আজও আমরা পাকিস্তানের দাসত্বের নিগড়ে আবদ্ধ থাকতাম। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সংগ্রামের পথ বেছে নিয়েছিলেন। ধীরে ধীরে নিজেকে … বিস্তারিত »

  • দক্ষিন বাংলা অনলাইন পত্রিকা নিয়ে ষড়যন্ত্রের আভাস

    স্বাধীনবাংলা২৪.কম ইকবাল হোসেন: বর্তমান সমাজে আপনি যে কোন মহোতি কাজই করতে যান না কেন সেখানে হয়তো প্রতিপক্ষ থাকবে অথবা ষড়যন্ত্র থাকবে। সেটি হোকনা মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা থেকে মন্দির গির্জা নির্মান করা। প্রতিপক্ষ বা ষড়যন্ত্রকারীরা আপনাকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করবেই। যদিও আপনি তাদের কোন ক্ষতি করেননি। এটি বিশেষ করে ইর্শ্বা থেকেই করে। তাই যারা এখন … বিস্তারিত »

  • বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযোদ্ধা নীতি ও আমরা

    সিরাজী এম আর মোস্তাক বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযোদ্ধা নীতি চিরন্তন ও যুগোপযোগী। তিনি ১৯৭১ এর ২৬ মার্চের আগেই তা স্পষ্ট করেন। দেশের সকল জনতাকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সংগঠিত করেন। ৭ই মার্চের ভাষণে পাকিস্তানিদের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন ও ঘোষণা করেন, “তোমরা বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন … বিস্তারিত »

  • মেয়ে তুমি কোথাও নিরাপদ নও

    স্বাধীনবাংলা২৪ডটকম নিউজ ডেস্ক : মেয়েরা কেবল রাস্তা-ঘাট, বাড়িঘর, কর্মক্ষেত্রেই নয়, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও অনিরাপদ, প্রতিনিয়ত তার প্রমাণ মিলছে। ব্ল্যাকমেইল আর হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী নারীদের। তাই সচেতন হওয়াটা জরুরি। কিছুদিন আগে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা ডেনজেল ওয়াশিংটন প্রশ্ন রেখেছিলেন, আমরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করছি নাকি ওগুলো আমাদের ব্যবহার করছে? … বিস্তারিত »

  • ট্রাম্প মানুষকে শিখিয়েছেন ঘৃণা করতে

    নিউজ ডেস্কঃ ট্রাম্প মানুষকে  শিখিয়েছেন ঘৃণা করতে। মুসলিমদের ঘৃণা করতে। কালো-বাদামি-হলুদদের ঘৃণা করতে। শরণার্থীদের ঘৃণা করতে। গরিব বিদেশিদের ঘৃণা করতে। পঙ্গুদের ঘৃণা করতে। তাই লোকে ঘৃণা করছে। ঘৃণা করতে করতে এক সাদা আমেরিকান আজ দুজনকে গুলি করেছে। দুজনই ভারতীয়। দুই জনই প্রকোশলী। একজন গুলিতে মারা গেছে, আরেকজন বেঁচে আছে। মনে হচ্ছে, আরও লোককে মরতে হবে … বিস্তারিত »

  • গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো যুক্তি নেই, তবুও…

    স্বাধীনবাংলা২৪ডটকম নিউজ ডেস্ক : বিভিন্ন খাতে গ্যাসের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোয় দেশের মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও বলেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ তার ফেসবুক পাতায় সরকারের সমালোচনা করে লিখেছেন, জনগণকে জিম্মি রেখে বৃহৎ সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বাড়াতে সরকারের দু’টো … বিস্তারিত »