স্বাধীনমত

  • ঘুরে এলাম “সাগর কন্যা কুয়াকাটা”

      আব্দুস সালাম:  বাংলাদেশ ড্রাগিষ্ট এন্ড কেমিষ্ট সমিতি (বিডিসিএস) উপজেলা শাখার উদ্যোগে ঘুরে এলাম সাগর কন্যা কুয়াকাটায়। অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা।   পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা সাগর কন্যা হিসেবে পরিচিত। ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সৈকতটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নে অবস্থিত। কুয়াকাটা … বিস্তারিত »

  • মেয়েদের পোশাক নিয়ে লোকের এত মাথাব্যথা কেন?

    তসলিমা নাসরিন সেদিন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বললেন, হোয়াইট হাউসে যে মেয়েরা কাজ করবে, তাদের সবাইকে ‘মেয়েদের মতো পোশাক’ পরতে হবে। মেয়েদের মতো পোশাক বলতে ট্রাম্প বুঝিয়েছেন যে পোশাক পরলে মেয়েদের যৌনাবেদন বাড়ে। এদিকে উল্টো ঘটনা ঘটেছে ভারতে। মুম্বাই-এর গভরমেন্ট পলিটেকনিক কলেজের প্রিন্সিপাল স্বাতী দেশপান্ডে বলেছেন, ‘আমি শুনেছি কেন মেয়েরা অল্প বয়সে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান রোগে ভোগে। … বিস্তারিত »

  • বীরাঙ্গনা মায়েদের কথা

    দেবশ্রী চক্রবর্ত্তী ১৬ ই ডিসেম্বর , মহান বিজয় দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং আনন্দের একটি দিন। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হবার দিন। ১৯৭১ এর এই দিনেই ৯ মাসের রক্তঝরানো মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। বাংলাদেশ হলো একটি স্বাধীন দেশ। বিশ্বের মানচিত্রে জায়গা করে নিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ৩০ লক্ষ শহীদ আর ২ লক্ষ … বিস্তারিত »

  • অবহেলিত চালক

    হুমায়ুন কবিরঃ  নিশ্চিত মৃত্যু জেনে কেও কখন ও নিজের জিবন দিয় ? অথোচ  স্বজ্ঞানে জেনে বুঝে নিজের জিবন কে উত্‍সর্গ করে আমাদের সমাজের একটি বড় অংশের মানুষ । যারা মানুষের উপকারে সম্পুর্ন সমাজ সেবামুলক নিজেকে উত্‍সর্গ করেছে ।   তারা জন্ম থেকেই অবহেলিত ও নির্যাতিত । ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় হোক এ কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন … বিস্তারিত »

  • তেলবাজ সাংবাদিকতা

    সংবাদপত্রকে বলা হয় ‘রাষ্ট্রের চতৃর্থ স্তম্ভ’। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। থানা, পুলিশ, কোর্ট-কাচারী, মন্ত্রী-এমপি-নেতা-নেত্রী করে মানুষ যখন বিচার না পেয়ে অসহায় আর দিশেহারা হয়ে পড়েন। ন্যায় বিচার এমনকি মৌলিক চাহিদা সু-চিকিৎসাটুকুও পান না, ঠিক তখনই অসহায় মানুষগুলো প্রতিকার পাওয়ার আশায় সর্বশেষস্থল হিসেবে ছুটে আসেন সাংবাদিকদের কাছে। শেষ ভরসাস্থল হিসেবেই জেনে-মেনে ও বিশ্বাস করেই তারা ধর্না দেয় … বিস্তারিত »

  • ঘুরে এলাম বিপ্লবী বাঘা যতীনের আত্মবলিদান ভূমি

    । একেবারে কাছে যেয়ে গাড়ী থেকে নেমে বেশ বড় তোরণ দাঁড়িয়ে আছে ফুলেল সাজে। আমরা একে একে ভেতরে ঢুকলাম। বাঘা যতীনের ফ্লাগ, প্রতিকৃতি সহ অনেক কিছু দেখলাম্ সেই পুকুরটি এখনো অগ্নিযুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে।

    ব্রিটিশ বিরোধী যুগান্তরের নেতা ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতার সূর্য সন্তান অগ্নিযুগের মহানায়ক বিপ্লবী যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (বাঘা যতীন) ১৯১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর গোধূলিলগ্নে উড়িষ্যার বালাশোরের কাপ্তিপোদার চষাখন্ড জঙ্গলে চারকিশোর মাদারীপুরের চিত্তপ্রিয় রায় চৌধুরি, মনোরঞ্জন সেন গুপ্ত, নরেন্দ্র নাথ দাস গুপ্ত (নীরেন) ও কুষ্টিয়ার যতীন পাল (জোতিষ)এর সাথে সাথে ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেট কিলবি এবং সেনাপ্রধান ট্রেগার্ট বাহিনীর কয়েকহাজার সৈন্যের সাথে লড়াই করে আড়াইঘন্টা মতান্তরে সাড়ে তিনঘন্টা ব্যাপী। ঘটনাস্থলে চিত্তপ্রিয় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। বাঘা যতীন গুলিবিদ্ধ হন অপর তিনকিশোর তাদের হাতে ধরা পড়েন গুলি খতম হবার পর। বাঘা যতীন পরদিন ১০ সেপ্টেম্বর বালাশোরের সামরিক হাসপাতালে ইহলোক ত্যাগ করেন। ঐ বছরের ৩ ডিসেম্বর মনোরঞ্জন ও নীরেনের ফাঁসি হয়। জ্যোতিষ পালকে আন্দামান দীপে নির্বাসন দিয়ে পরে নির্যাতন করলে পাগল হয়ে মৃত্যুবরন করে। সেখানে বাঘা যতীনের প্রতিকৃত্তি সহ ভাস্কর্য রয়েছে। উড়িয়া ভাষা ও ইংরেজিতে দর্শনাথীদের জন্য সাইনবোর্ড আছে। এটি এখন পার্কে রূপান্তরিত। পুরো জঙ্গল ঘুরলাম। সেই ঐতিহাসিক পুকুরটি এখনো বহাল তবিয়তে নতুন প্রজন্মকে আহবান করে যাচেছ দেখে যাও হে উত্তর প্রজন্ম দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে কেমন ত্যাগ আর রক্ত ঝরাতে হয়। বিপ্লবীর স্মৃতি বিজড়িত এই জঙ্গল বাদে চারপাশে আর কোন কিছূ নেই শধু সবুজ ধানক্ষেত বিছানা পেতে শুয়ে আছে।

    বিপ্লবী বাঘা যতীন নিজেই বলেন, দেশের সুরাহা বাইরে থেকে নয়, তা আসবে অভ্যন্তর থেকে। আর পালানো নয়…যুদ্ধ করে আমরা মরব, এতেই দেশ বাঁচবে। অন্তিম নি:শ্বাস ত্যাগ করার পূর্বে তিনি বলেন, আমরা মরব, দেশ জাগবে। “ কয়া গ্রামে বিপ্লবীর জন্মভিটায় গেলে যেমন অনুভূতি ঠিক তেমনি বালাশরের চষাখন্ড যেয়ে একই স্বাদ আস্বাদন করি। অন্তর ভেজে, মন পোড়বার আগে গলে।

    কিছুক্ষন থেকে চলে আসতে হয় সিডিউল মোতাবেক অন্যান্য প্রোগ্রাম থাকায়।

    সন্ধ্যার পর হোটেল নসিতে নাস্তা চলে। নাস্তার পর ডিনারের আগে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম ফকির মোহন বিশ্ববিদ্যালয় গেস্ট হাউজে। রাত সাড়ে আটটার দিকে আবার ট্রাভেল বাসে এনওসিসিআই(নসি)তে ডিনার সেরে নিলাম একসাথে বাংলাদেশি চৌদ্দ প্রতিনিধি দল ও ভারতীয় প্রতিনিধিরা। খাবারের পর নসির সামনে উতকলা মঞ্চে যেয়ে বসলাম। রাত তখন দশটার মতো। ঝিরঝিরে হাওয়া ভ্যাপসা গরমকে গিলে ফেললো কিছুক্ষনের জন্য। কেননা থাকবার জায়গা, গাড়িতে এসি থাকায় কলকাতা ও উড়িষ্যার গরম খুব একটা অতিষষ্ঠ করতে পারেনি আমাদের। উতকলা মঞ্চে নাটক, অনুষ্ঠান চলে প্রায়ই আমাদেরকে জানাচ্ছিল এ খবর সেখানকার স্থানীয় দু ছাত্র আশুতোষ ও রেশমি। ওদের সাথে আধভাঙা হিন্দি চললো কিছুক্ষণ। এ নিয়ে হাসাহাসি। আমাদের সাথে থাকা একাশি বছরের তরুন প্রাণজীব খার জালাল উদ্দিন কলকাতা আসা অবধি আধো হিন্দি আধা ইংরজি মিশিয়ে সবখানে বেশিকথা, চুপকথা ঝেরে গেলেন । তিনি আমাদেরকে সবসময় মাতিয়ে রাখতেন। একজন একাশি বছরের মানুষ কিভাবে তরুন থাকে সেটা শুধু বাহ্যিক কালারফুল টিশার্ট পড়েই বোঝালেন না অন্তরেও ভেদ ভেঙে বুঝিয়ে দিলেন সবাইকে। সবাই বেশ মজারু আড্ডায় মেতেছিলেন কদিন।

    উতকলা মঞ্চ থেকে বাসে চেপে ফকির মোহন বিশ্ববিদ্যালয় গেস্ট হাউজে রাত্রি যাপন । শোবার আগে বলে দেয়া হয়েছে সকাল ৬টার মধ্যে তৈরী থাকতে। বালাশোর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে চাঁদিপুর সী-বিচ। সেখানে বারো ঘন্টা পর পর জল যাওয়া আসা করে। ব্যস। আমি এতটাই ক্লান্ত তার আগে মজনু চাচা ভীষণ অসুস্থ থাকায় একজন সঙ্গী পাওয়ায় পরম তৃপ্ততার সাথে ক্লান্ত বিছানায় এলানো মানেই ঘুমিয়ে পড়া। (চলবে)

    লেখক ॥ কলামিস্ট, নাট্যকার

    -->

    লিটন আব্বাস কয়া, কুমারখালী, কুষ্টিয়া, বেনাপোল, বাংলাদেশে থেকে পেট্টাপোল, বনগাঁ, দমদম, হোটেল অতিথি ইন কলকাতা, ভারত । ভারতের উড়িষ্যার বুড়িবালাম নদীর তীরে দুইবাংলার মিলনমেলায় বিপ্লবী বাঘা যতীন মৃত্যুশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি সফরে বেনাপোল সীমান্ত পার হলেই অভ্যর্থনার শুরু। ফুলের তোড়া দিয়ে আমাদের বরণ করে নিল বরণবালার বারীষ। যেতে যেতে কোল্ডড্রিংকস, চিপস গাড়িতে … বিস্তারিত »

  • মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে বিদ্যালয়গুলোকে শিশুবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে

    বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনার দেশ। এই দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার মাধ্যমে দ্রুত উন্নতির স্বর্ণ শিখরে পৌঁছান সম্ভব। দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হবে।   আর শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হলে প্রথমেই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন করা আবশ্যক। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় শতভাগ শিশু ভর্তি করা সম্ভব হলেও ঝরে পড়া রোধ করা সবচেয়ে … বিস্তারিত »

  • ‘এজলাসে বসে উনি আমাদের কাউকেই চিনতেন না’

    স্বাধীনবাংলা২৪.কম ঢাকা: সাবেক প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমিন স্যার আজ ভোরে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ২০০৯ সালে তখন তিনি দেশের প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের ৮-১০ জন মাননীয় বিচারপতিসহ দ্বীনের একটি জামাত নিয়ে আমাদের মসজিদে আসেন। তিনদিনের জামাতে মাননীয় বিচারপতিগণ ভাগ ভাগ করে সময় দিলেন। প্রতিদিন আসরের … বিস্তারিত »