শ্রীলঙ্কার মাটিতে ‘প্রথমে’র ইতিহাস ভারতের

Feature Image

ক্রীড়া: ৩ দিন বাকি থাকতেই সব রোমাঞ্চ হারিয়ে একপেশে হয়ে পড়েছিল পাল্লেকেলে টেস্ট। শেষ পর্যন্ত ইনিংস হারই সঙ্গী হলো তাদের। দুই বছর আগে শ্রীলঙ্কার মাটিতে ২২ বছর পর সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল ভারত।

এবার স্বাদ পেল লঙ্কাদ্বীপে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের ধবলধোলাই করার স্বাদ।পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কা হেরেছে ইনিংস ও ১৭১ রানে। দ্বিতীয় দিন শেষ ফলোঅন করে ১৯ রানে ১ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর আজ তারা গুটিয়ে গেছে ১৮১ রানে। ভারতের অর্জনটা অনন্যই। তিন বা তার বেশি টেস্টের সিরিজের ইতিহাসে অষ্টম দল হিসেবে স্বাগতিক দলকে ধবলধোলাই করেছে ভারত।

এর আগে এশিয়ার কোনো টেস্ট দল এমন কিছু করতে পারেনি। ঘরের মাঠে এর আগে শ্রীলঙ্কা তিন টেস্টের সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছিল একবারই। ২০০৪ সালে সেই হার অবশ্য ছিল প্রবল-পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

সকালের ভেজা কন্ডিশনে মোহাম্মদ শামির সুইংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কা। ৫ রানের ব্যবধানে নাইটওয়াচম্যান মালিন্দা পুষ্পকুমারা ও কুশল মেন্ডিসকে ফিরিয়ে দেন শামি। তিনি পেয়েছেন ৩ উইকেট। সঙ্গে অশ্বিনের ৪ উইকেট আর কুলদীপ যাদব ২ উইকেটে তুলে নিয়ে আরও একবার শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইন-আপ ধ্বংসস্তূপ বানিয়ে ছাড়ে কোহলির দল।

তবে দিনের প্রথম আঘাতটা ছিল অশ্বিনেরই। আগের দিন প্রাণ নিয়ে ফেরা ওপেনার করুনারত্নেকে রাহানের ক্যাচ বানান। এরপরই শামির জোড়া আঘাত। লঙ্কানদের শোচনীয় পরাজয়টা নিশ্চিত হয়ে যায় তখনই।

দিনেশ চান্ডিমাল ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ৬৫ রানের জুটি গড়লেও থিতু হতে পারেননি উইকেটে। যাদব আর অশ্বিনের ঘূর্ণিতে বারবার পরাস্ত হয়েছেন। চান্ডিমালকে ফিরিয়েছেন যাদব। এর ৩ ওভার পরই বিদায় নিয়েছেন ম্যাথুস—ঘাতক সেই অশ্বিন।

এই সিরিজে শ্রীলঙ্কার ‘অকুতোভয়’ ব্যাটসম্যান নিরোশান ডিকভেলা ব্যাট চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে সান্দাকানের সঙ্গে তাঁর ২৮ রানের জুটি ভাঙেন শামি। ডিকভেলা যাদবের বলেই ফিরেছেন সর্বোচ্চ ৪১ রানে করে। শেষ পর্যন্ত কুমারাকে আউট করে শ্রীলঙ্কার দুঃস্বপ্নের সিরিজে ইতি টানেন।

Loading...

আরো খবর »