খোকসায় রোপা আমন চাষে ব্যাস্ত কৃষক

Feature Image

কুষ্টিয়া থেকে হুমায়ুন কবির: কৃষকের যেন দোম ফেলানোর সময় নেই। শ্রারণের অঝর ধারার পাট কাটা জাগদেওয়া জমি পরিস্কার করা, আরার একই সাথে জমি চাষ করে রোপা আমন ধানের চারা রোপন করা এ যেন ইলাহী কারখানা।

 

বছরের এ সময়টি কৃষক জেন একজন হয়ে পড়েন দশ জনের কাজ করার শক্তিধর।
ষড়ঋতুর বৈচিত্র্যে আষাড় – শ্রাবন এই দু’মাস পানি মাটি আর কাদার মাঝে কৃষকের কাটাতে হয় দিন রাতের প্রায় সময়।

 

কৃষিই অর্থনীতির চাবিকাঠি আর কৃষকের বেচে থাকার অবলম্বন হওয়ায় পাট কাটা আর রোপা আমন ধান রোপন একই সাথে কার্য সম্পাদন করেন কৃষকগণ।

কু্ষ্টিয়া জেলার খোকসায় এবারে ৬ হাজার ২ শত হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের তর্থ্য মোতাবেক উপজেলার আবাদ যোগ্য ৮ হাজার ২শত ৪৩ হেক্টর জমির মধ্যে এবারে রোপা আমন ধানের বেশ আগেভাগে ধানের চারা রোপন শুরু করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিষ্ণ পদ সাহা জানান, ২৮ টা ব্লকের কৃষকগণ বেশ উৎসাহে আগাম বৃষ্টির কারনে ধানের চারা রোপন করায় রোপা আমন ধানের রোপন প্রায় মাঝামাঝি হয়েছে।

 

উপজেলার মাসিলিয়া গ্রামের কৃষক মোঃ জাবেদ শেখ জানান, এবারই কৃষি অফিসের বিশেষ প্রশিক্ষণে বিনা -7 ধানের আবাদ করছি। সেই সাথে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করে সারি বদ্ধ ধানের চারা রোপন করা হয়েছে। প্রায় ২ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। ৬ জনের পরিবারের খাবারের চাহিদা পুরন করে বিক্রয় করে খরচের টাকা পাব বলে আশা করি।
উপজেলা কৃষি অফিসের সদর উদ্দিন জানান, এবারে খোকসা উপজেলায় প্রায় স্থানিয় জাত ছাড়াও ২০ প্রজাতির রোপা আমন ধানের আবাদ হবে। এদের মধ্যে হাইবিট বিনা -7, বিআর-11,বি-৪৮,বি-৩৯, বি-৩৩,
বি-৫২,বি-৪১, বি-৫৭,বি-৬২,বি-৭০,বি-৭১, ধানি গোল্ড প্রমুখও।

 

হাইবিট জাতের বেশী চাহিদা হওয়ায় প্রায় ১ শত হেক্টর জমিতে হাইবিট ধানের আবাদ হবে বলে আসা করছেন কৃষি বিভাগ।
অপর দিকে সময় মতো বৃষ্টি, বীজ, সার ও কৃষি অফিসের সহোযগিতায় উপজেলায় লক্ষমাত্রার চেয়ে রোপা আমন ধানের আবাদ ভাল হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকগণ।
উপজেলার সকল কৃষি আবাদি জমি কৃষি চাষের আওতায় আনতে ও অধিক উৎপাদন মুখি বিজ্ঞান সম্মত চাষাবাদে উদ্বোদ্ধ করতে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সকল সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিষ্ণ পদ সাহা।

 


আবহাওয়া অনুকুলে ও কৃষক রোপা আমন ধান আবাদ করতে পারলে খাদ্যে খোকসায় উদ্বিত্ত খাদ্য উৎপাদন হবে বলে কৃষি বিভাগ দাবি করেন।

আরো খবর »