গোপালগঞ্জের দেবগ্রাম সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে ককটেল বিস্ফোরণ

Feature Image

জেলা প্রতিনিধি, স্বাধীনবাংলা২৪ডটকম
গোপালগঞ্জ থেকে এস এম সাব্বির : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় দেবগ্রাম সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ককটেলটি দুর্বৃত্তরা মন্দিরে প্রবেশের সিড়ির উপর ছুড়ে মারে। প্রচন্ড শব্দে ককটেলটি বিস্ফোরিত হলেও কেউ হতাহত হয়নি। মন্দিরের মূর্তি ও টিনের চাল বেড়া ছিদ্র হয়ে ক্ষতি হয়েছে। বিস্ফোরনের স্থলে কালো দাগের সৃস্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে বুধবার সকালে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে। এসব আলামত পরীক্ষার জন্য বোমা বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ দিন দুপুরে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ খলিলুর রহমান, পলিশ, প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উৎসুক জনতা সকাল থেকেই মন্দিরে ভীর করছেন।

এ ব্যাপারে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে কোটালীপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মন্দিরের পাশে বসবাসকারী দেবগ্রাম ঊমাচরন-পূর্নচরন সার্বজনীন উচ্চ বিদ্যালয়ের হোষ্টেলে অবস্থানকারী শিক্ষক সহদেব বিশ্বাস, হোটেলের ছাত্র সুরঞ্জন বাকচি বলেন, রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে আমি মন্দিরের কাছে গেলে প্রচুর ধুঁয়া দেখতে পাই। মন্দিরের সামনে কিছু জায়গায় আগুনের ফুলকিও দেখা যায়। স্প্রিন্টারের আঘাতে মন্দিরে প্রবেশ গেট ক্ষতি হয়েছে। দূর্গা, অসূও, মহিষ প্রতিমার শরীরে ক্ষতের সৃস্টি হয়েছে। মন্দিরের টিনের চাল , বারান্দার চালের টিন ও মন্দিরের পেছনের টিনের বেড়ায় অসংখ্য ছিদ্রের সৃস্টি হয়েছে। কে বা কারা এবং কেনইবা মন্দিরে এ ককটেল হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে তা তারা দেখিনি বলে মন্তব্য করেছেন।

দেবগ্রামের অতুল প্রসাদ বিশ্বাস বলেন, বিস্ফোরনের পরই ঘটনা স্থলে আসি। তখন মন্দিরের অঙ্গিনা সহ অন্যান্য স্থানে লোহার বলের মতো স্প্রিন্টার ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে ছিলো। পুলিশ এসে ঘটনা স্থল থেকে অন্তত ১ কেজি স্প্রিন্টার উদ্ধার করেরেছ।
পার্শবর্তী দিঘলিয়া গ্রামের শিশির হালদার বলেন, আমাদের বাড়ি মন্দির থেকে দেড় কিঃমিঃ দুরে। আমরা রাতে বাড়ি থেকেই বিস্ফোরনের শব্দ পেয়েছি।

দেবগ্রামের সুপ্রকাস বসু বলেন, আমরা এথানে মুসলমান, হিন্দু ও থ্রিষ্ট্রান সম্প্রদায়ের মানুস শান্তিপূর্ন সহ অবস্থান তরছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় নাশকতা, ত্রাস সৃস্টি বা আসন্ন দূর্গাপূজাকে সমানে রেখে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা তা থতিয়ে দেখার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই।

আরো খবর »