এক্সক্লুসিভ সংবাদ »

অনিদ্রা বড় রোগকে ডেকে আনে

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম
নিউজ ডেস্ক : সুস্থ থাকার জন্য পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি নিশ্চিন্ত ঘুম অবশ্য প্রয়োজনীয়। পর্যাপ্ত ঘুম আপনাকে শারীরিক ও মানসিক দুইভাবেই সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে ঘুম কম হওয়া বা অনিদ্রার সঙ্গে বহু বড় রোগের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। কোনও কারণে সেই সঙ্কেত মস্তিষ্কে না পৌঁছলে আমাদের ঘুমে বিঘœ ঘটে।

ঘুমোলে আপনার শরীরের ক্লান্তি যেমন দূর হয় তেমনই পুরোনো কোষ সরে গিয়ে শরীরে নতুন কোষ তৈরি হয় যা আপনাকে আরও তরতাজা করে তোলে। কম ঘুম বা অনিদ্রার ফলে হৃদরোগ, অবসাদ, ওজন বাড়া, মানসিক অস্থিরতা, চঞ্চলতা, বিরক্তি, ক্লান্তি ইত্যাদি নানা রোগ ও সমস্যার সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।

তবে যদি শরীরকে বেশিক্ষণ বিশ্রাম দিতে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমান বা অলস জীবনযাপন করেন তাহলেও আপনার শরীর নানা উপায়ে বিদ্রোহ শুরু করবে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টার নিশ্চিন্ত ঘুম প্রয়োজন। নাহলেই বড় বিপদ অপেক্ষা করে রয়েছে আমাদের জন্য। কম ঘুম বা অনিদ্রা কোন কোন বড় রোগকে ডেকে আনে তা দেখে নিন নিচে।

ব্লাড সুগার : কম ঘুম জাঙ্ক ফুড বা শর্করা জাতীয় খাবারের প্রতি আকর্ষণ অনেক বাড়িয়ে দেয়। ক্লান্তি দূর করতে অনেক সময়ে আমরা কার্বোনেটেড পানীয় বা খাবারের দিকে ঝুঁকি। ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বৃদ্ধি পায়।

অস্টিওপরোসিস (দুর্বল হাড়) : ৬ ঘণ্টার কম ঘুম হাড়ের জোর কমিয়ে দেয়। ফলে হাড় দুর্বল হয় ও ছোটখাটো চোট আঘাতে ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। একইসঙ্গে হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা অনুভূত হয়।

ক্যানসার : গবেষণায় দেখা গেছে, অপর্যাপ্ত ঘুম ব্রেস্ট ক্যানসারের প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া অন্য ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায় এর ফলে।

হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক : ঘুমানোর সময়ে আমাদের শরীরের নানা অঙ্গ নিজেদের সারিয়ে নেয়। দূষিত টক্সিন শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এজন্যই সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকটা পানি খেতে হয় যাতে শরীরের জমা টক্সিন মলমূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। কম ঘুম হলে হার্টের নানা সমস্যা বাড়ে এমন জানিয়েছেন গবেষকরাই।

 

মস্তিস্কের ক্ষমতা কমিয়ে দেয় : দিনের পর দিন কম ঘুম হলে তা মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে কমে যায়। মনোসংযোগের ক্ষমতা তলানিতে এসে ঠেকে। ফলে স্মৃতিশক্তি ক্ষীণ হয়।

মূত্রের সমস্যা : এই ক্ষেত্রে প্রস্রাব পেয়েছে মনে হলেও বেশি প্রস্রাব হয় না এবং বারবার বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। অনিদ্রার ফলে এমন সমস্যা হয়।

উদ্বেগ ও অবসাদ : অসম্পূর্ণ ঘুমের ফলে ক্লান্তির পাশাপাশি দুশ্চিন্তা ও অবসাদ আমাদের গ্রাস করে।

আরো খবর »